![]() মানবিক সহায়তা ও ঈদ উপহার সামগ্রী নিয়ে
দ্বীপের বঞ্চিত মানুষের পাশে আল কুরআন একাডেমি ও ধানশালিক ফাউন্ডেশন
নতুন বার্তা, ঢাকা:
|
![]() বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ ২০২৫) প্রশাসনের সহযোগিতায় আল কুরআন একাডেমি ঢাকা’র চেয়ারম্যান ও সেন্টমার্টিন পশ্চিম দ্বীপ মাদরাসার সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম মিঠু সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব ঈদ উপহার তুলে দেন। বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী দিদারুল ইসলাম এর সার্বিক সহযোগিতায় দ্বীপের বঞ্চিত হতদরিদ্র নারী-পুরুষ, শিশুদের মাঝে এই ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পরে ইফতার আয়োজনে সেন্টমার্টিন দ্বীপের কয়েক শত সাধারণ মানুষ ছুটে আসে। মাদরাসার বড় হুজুর হাফেজ মাওলানা মুফতি ফয়জুল্লাহর সভাপতিত্বে ও শিক্ষক আফসার উদ্দিন আবিরের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় মৎসজীবী রফিকুল ইসলাম, রিসোর্ট ম্যানেজার মো. সোলায়মান হক, অত্র প্রতিষ্ঠান কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সাইফুল ইসলাম মিঠু বলেন, দ্বীপের অসহায় মানুষদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আমাদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। আমরা ও আমাদের সম্মানিত সুধী দাতা বন্ধুদের সহযোগিতায় এই ঈদ উপহার সামগ্রী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছি। রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে আমাদের এই মানবকল্যাণমূলক কর্মসূচি সবসময় চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি ভূমিতে মুসলমান ও ইসলাম মিশে আছে। আমাদের সংস্কৃতি বিশ্বাসের, রোজা, সেহরি ও ইফতার সংস্কৃতি আমাদেরকে আরও দৃঢ় মহৎ করে তোলে। ইনশাআল্লাহ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে আগামীতেও এ কার্যক্রম আমরা অব্যাহত রাখবো। বড় হুজুর বলেন, অত্র প্রতিষ্ঠান টি দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবৎ দ্বীপের বঞ্চিত ছেলে মেয়েদেরকে কুরআনের হাফেজ তৈরির পাশাপাশি সমাজের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবেও ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। যেই সময়ে সারাদেশ থেকে একরকম দ্বীপবাসী আমরা বিচ্ছিন্ন প্রায়। সেই সময়ে দ্বীপের মানুষের কল্যাণেও কাজ করে যাচ্ছে অত্র মাদরাসা কমিটি। আমরা আশা করছি সম্মানিত সভাপতি মিঠু ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে এই মহান কাজ দ্বীপ জুড়ে সবসময়ে অব্যহত থাকবে। ঈদসামগ্রী নিতে আসা পুরুষ মহিলারা অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, আমরা ঈদের আগে ঈদ উপহার হিসেবে পোশাক ও খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুব খুশি। সেন্টমার্টিন দ্বীপে মাত্র দুই মাসের জন্য পর্যটকদের আসা যাওয়া থাকে, তখন আমরা ভালো থাকি। অথচ সারাবছর অভাব অনটন কষ্টে আমাদের জীবনযাপন করতে হয়। এরমাঝে আমাদের মতো গরীব মানুষের এই উচ্চ মূল্যের বাজারে টেকনাফ গিয়ে ঈদের দিনে কোনো কিছু কিনে খাওয়া স্বপ্নের মতো। কষ্টের দিনগুলোর কথা এখানে বলতে পেরে আমরা আনন্দিত। মিঠু ভাই আমাদের এই স্বপ্ন পূরণ করেছেন তাঁর জন্য আমরা মন খুলে দোয়া করি। তিনি ও তার বন্ধুরা যেন প্রতি বছর আমগোরে সাহায্য করতে পারে এই দোয়া করি। |