![]() চিকেনস নেকের নিরাপত্তা জোরদার করলো ভারত
নতুন বার্তা, ঢাকা:
|
![]() এদিকে, শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও ভারতের দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক, কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। জানা গেছে, ব্যাংককে ইউনূসের সঙ্গে মোদীর বৈঠক হওয়ার আগেই চলমান ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে চিকেনস নেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী এবং বিমানবাহিনীকে শক্তিশালীভাবে মোতায়েন করেছে ভারত। শিলিগুড়ি করিডোরকে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক প্রতিরক্ষা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছেন ভারতের সেনাপ্রধান। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কোর এই করিডোর রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছে। যে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত হাশিমারা বিমানঘাঁটিতে রাফালে যুদ্ধবিমান ও মিগ মোতায়েন, ব্রহ্মোস সুপারসনিক মিসাইল রেজিমেন্ট মোতায়েন, দূরপাল্লার এস-৪০০ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (ক্ষেপণাস্ত্র) সিস্টেম স্থাপন, মধ্যম পাল্লার সারফেস টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা। সেই সঙ্গে নিয়মিত ট্যাংক ও লাইভ ফায়ার সামরিক মহড়া পরিচালনা। কৌশলগত উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন ও একইসঙ্গে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতার বার্তা দেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা ভারতের জন্য কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারত উত্তরবঙ্গ এবং শিলিগুড়ি করিডোরে প্রতিরক্ষা শক্তি পর্যালোচনার জন্য চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান সাম্প্রতিক সফর করেন। সেসময় তিনি সীমান্ত ঘাঁটি পরিদর্শন ও উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক করেন। ২০১৭ সালের ডোকলাম সঙ্কটের সময় ভারত-চীন মুখোমুখি অবস্থানে গেলে চিকেনস নেকের কৌশলগত গুরুত্ব দৃশ্যমান হয়। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারত এখন উন্নত অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত উপস্থিতি নিশ্চিত করে রেখেছে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে |