আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী বছর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন!      হবিগঞ্জ ২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আহমদ আলী মুকিব      অছাত্র ও চিহ্নিত শিবির কর্মীকে ছাত্রলীগের সভাপতি করার প্রতিবাদে ১১ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ       রাখাইনের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা পানি আর ঘাস খেয়ে বেঁচে আছে: রয়টার্স      উখিয়া ও টেকনাফে সুপারি বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে হাসি      দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) মাঠ গরমে ব্যস্ত নতুনরা      কুমিল্লায় মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ৫ পরিবারকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ      
কাঁচা মরিচ নিয়ে বিপাকে কৃষক
আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের কেজি ৫ টাকা
জিললুর রহমান
Published : Tuesday, 12 July, 2016 at 6:20 PM, Count : 650
আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের কেজি ৫ টাকাআদমদীঘি (বগুড়া): বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় এবার কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। কারণ বাজারে দাম কম হওয়ায় মরিচ বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মরিচ চাষিরা। এমনকি বাজারে মরিচ এনে আনার ভ্যান ভাড়াও উঠছে না তাদের। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আদমদীঘির সদর ইউনিয়ন, সান্তাহার, ছাতিয়ানগ্রাম, নশরতপুর, চাঁপাপুর ও কুন্দগ্রাম ইউনিয়ন এলাকার উঁচু জমিতে মরিচের আবাদ করা হয়েছে। অনেক কৃষক বাড়তি ফসল হিসেবে এর আবাদ করেছেন। এর মধ্যে উপজেলার কেশরতা, কুসুম্বি, কোমারপুর, কাশিমালকুড়ি, শালগ্রাম, গোড়গ্রাম ও উজ্জলতা প্রভৃতি এলাকায় কাঁচা মরিচের চাষ হয়েছে চোখে পড়ার মতো। উপজেলার সদর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল মালেক জানান, বর্তমানে কাঁচা মরিচের দাম নেই বললেই চলে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৪/৫ টাকা হিসেবে পাইকাররা কিনছেন। এতে মরিচ তোলা শ্রমিকের মজুরি ও ভ্যান ভাড়াও উঠছে না। ফলে তাদের লোকসান গুণতে হচ্ছে। প্রতি বছর এই আদমদীঘির কাঁচা বাজার থেকে পাইকাররা মরিচ কিনে বাইরের জেলায় পাঠায়। গত মঙ্গলবার আদমদীঘি পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ মণ। পাইকারি বাজারের ক্রেতা শফিকুল ইসলাম জানান, এ বছর উপজেলার সব জায়গায় কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। যে হারে বাজারে মরিচ আসছে, সে হিসেবে ক্রেতা নেই। চাষিদের কাছ থেকে পাইকারি দরে মরিচ কিনছে ৪-৫ টাকা কেজি আর খুচরা দোকানিরা সেই মরিচ বিক্রি করছেন ৮ থেকে ১০ টাকায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহাদুজ্জামান জানান, কাঁচা মরিচের আশাতীত ফলন হয়েছে এবার। মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকি ও পরামর্শে কৃষকরা এই সাফল্য অর্জন করেছেন। তবে বাজারে দাম না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে কিছুটা হতাশা বিরাজ করছে বলেও জানান তিনি। প্রতিটি ফসলে একের পর এক লোকসান হওয়ায় চাষাবাদে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন অনেক কৃষকরা। চলতি বছর সার বীজ, সেচ ও মজুরি দিয়ে বোরো ধান আবাদ করেন তারা। ধানের বাম্পার ফলনও হয়েছে। কিন্তু বাজারে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচই উঠছে না। একই অবস্থা আলুর ক্ষেত্রেও। এভাবে উৎপাদিত ফসলে লোকসান হওয়ায় এখানকার কৃষকরা নিজস্ব পুঁজি হারিয়ে ফেলছেন। অনেকে চাষাবাদ বন্ধ করে অন্য পেশা বেছে নিচ্ছেন। 







অর্থ ও বাণিজ্য পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)

৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : editor@natun-barta.com