আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী বছর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন!      হবিগঞ্জ ২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আহমদ আলী মুকিব      অছাত্র ও চিহ্নিত শিবির কর্মীকে ছাত্রলীগের সভাপতি করার প্রতিবাদে ১১ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ       রাখাইনের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা পানি আর ঘাস খেয়ে বেঁচে আছে: রয়টার্স      উখিয়া ও টেকনাফে সুপারি বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে হাসি      দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) মাঠ গরমে ব্যস্ত নতুনরা      কুমিল্লায় মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ৫ পরিবারকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ      
নড়াইলের নবগঙ্গার তীরে গড়ে উঠেছে ট্রলার কারখানা
উজ্জ্বল রায়
Published : Monday, 25 July, 2016 at 2:44 PM, Count : 297
নড়াইলের নবগঙ্গার তীরে গড়ে উঠেছে ট্রলার কারখানানড়াইল: নড়াইলের নোয়াগ্রাম এলাকায় নবগঙ্গা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে ট্রলার তৈরির কারখানা (ডকইয়ার্ড)। বছরে এখানে ছোট-বড় ১৫-১৬টি ট্রলার তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া নদীতীরবর্তী দেয়াডাংগা, বিষ্ণুপুর ও বড়দিয়া নৌবন্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে আরও কয়েকটি ট্রলার তৈরির কারখানা। এলাকাবাসী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিজ্ঞ কারিগর এবং খরচ কম হওয়ায় নড়াইলসহ সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে অনেকে এখানে নতুন ট্রলার তৈরি ও মেরামত করতে আসেন। স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখানে কাজ করা হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, নোয়াগ্রাম বাজারসংলগ্ন নবগঙ্গা নদীর তীরে তৈরি হচ্ছে ট্রলার। প্রায় তিন শ শ্রমিক কারখানায় কাজ করছেন। তাঁরা প্লেট কাটা, সমান ও বাঁকা করা এবং ঝালাইয়ের কাজে মগ্ন। ঝালাইমিস্ত্রি মামুন মোল্লা বলেন, লোডশেডিং না থাকলে একটি নতুন ট্রলার তৈরি করতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে। লোডশেডিংয়ের কারণে সেখানে এক-দেড় মাস সময় লেগে যায়। কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার কুমারভোগ গ্রামের মতিন বিশ্বাস এসেছেন একটি নতুননড়াইলের নবগঙ্গার তীরে গড়ে উঠেছে ট্রলার কারখানা ট্রলার তৈরি করতে। তিনি বলেন, ৫৬ ফুট লম্বা এবং ১৩ ফুট চওড়া একটি ট্রলার তৈরি করতে এখানে ১২ লাখ টাকা লাগছে। শ্রমিকনেতা সাত্তার শেখ বলেন, এখানে নতুন ট্রলার তৈরি, কার্গোর বডি মেরামত, রং করাসহ নানা ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে। নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এখানে কাজ করতে হয়। সরকার এখানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও এর উন্নয়নে পদক্ষেপ নিলে তা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। ট্রলার মালিক শমসের মণ্ডল বলেন, হাতের নাগালে ডকইয়ার্ড হওয়ায় খরচ ও ভোগান্তি কমেছে। এ জন্য আগে খুলনায় যেতে হতো। এতে খরচ বেশি ও ভোগান্তিতেও পড়তে হতো। ডকইয়ার্ডের মালিক মোহাম্মদ শিপুল মোল্লা বলেন, ‘১০ বছর আগে খুলনায় ডকইয়ার্ডে কাজ করেছি। সেখান থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে নিজের এলাকায় এখন কারখানা তৈরি করছি। এখান থেকে কাজ শিখে অনেকেই কারখানা তৈরি করেছেন। কারখানা পরিচালনায় লোডশেডিং এবং নদীভাঙন সবচেয়ে বড় সমস্যা। নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কারখানা চালু রাখা হয়েছে।’ তিনি নদীভাঙন রোধ ও লোডশেডিং বন্ধে সরকারের দৃষ্টি কামনা করেন।







জাতীয় পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইউসুফ আহমেদ (তুহিন)

৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : editor@natun-barta.com